সোমবার ২৫শে মার্চ, ২০১৯ ইং ১১ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ সকাল ১১:৫২
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
Uncategorized
অন্য-ভূবণ
অন্যান্য অর্থ-বানিজ্য
অন্যান্য খেলাধুলা
অপরাধ
অপরাধ
অপরাধ
অর্থ বানিজ্য
অর্থ-বাজার
আইটি নিউজ
আইন-আদালত
আমদানি -রপ্তানি
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
ইংরেজী
ইংরেজী-খেলা
ইংরেজী-জাতীয়
ইংরেজী-বিনোদন
উদ্ভাবন ও গবেষনা
উদ্যোক্তার কথা
উন্নয়নের বাংলাদেশ
উৎসব ও অনুষ্ঠান
উৎসব ও অনুষ্ঠান
উৎসব ও অনুষ্ঠান
উৎসব ও অনুষ্ঠান
ঊন্নয়ন
কবিতা
কর্মসংস্থান
কৃষি বার্তা
ক্রিকেট
খুলনা
খেলাধুলা
গ্রামীন খেলাধুলা
ঘর-দোয়ার
চট্টগ্রাম
চিকিৎসা সেবা
চুয়াডাঙ্গা অফিস
জাতীয়
জাতীয় সংসদ
টিপস
টেনিস
ডোনেট সংবাদ
ঢাকা
তৃতীয়-চোখ
দিবস
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দেশজুড়ে
ধর্ম ও জীবন
নতুনত্বের প্রচেষ্টা
নারী কথন
পড়াশুনা
পাঠক
পুরুষ কথন
প্রতিবন্ধি ও পথ শিশু
প্রধানমন্ত্রীর কর্ণার
প্রবাস
প্রযুক্তির খবর
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক থেকে সংগ্রহ
বই মেলা
বরিশাল
বাগেরহাট অফিস
বিনোদন
বিবিধ
বিলুপ্তির পথে
বিশ্ব
ব্যাংক ও বীমা
ভ্রমন
মতামত
ময়মনসিংহ
যশোর অফিস
রংপুর
রাজনীতি
রাজশাহী
রান্নাঘর
রোহিঙ্গা নিধন
র্নিবাচন
লাইফ স্টাইল
লিড নিউজ
শিক্ষক
শিক্ষা বাতায়ন
শিক্ষা সংবাদ
শিশু কিশোর
শেয়ার বাজার
শৈল্পিক সাহিত্য
শোকাহত
শোকাহত
শোকাহত
শোকাহত
শ্রদ্ধ ও সুখবর
শ্রদ্ধ ও সুখবর
শ্রদ্ধা ও সুখবর
সকল
সমসাময়িক
সম্পাদকীয়
সাজসজ্জা
সামাজিক মাধ্যম
সাহিত্য
সিলেট
হাসি-আনন্দ

বিজ্ঞপ্তি

  • হোম  
  • মতামত  
  • সমসাময়িক  
  • উন্নত দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও কোচিং হচ্ছে শিক্ষার সহায়ক প্রতিষ্ঠান

উন্নত দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও কোচিং হচ্ছে শিক্ষার সহায়ক প্রতিষ্ঠান

প্রকাশের সময় : ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫:১৫ অপরাহ্ণ  | নিউজটি পড়া হয়েছে : 49

retro ( অনলাইন নিউজ ডেস্ক বার্তা বিভাগ )  Print

বিশেষ প্রতিবেদক: কোচিং শুধু বাংলাদেশে নয় বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে শিক্ষার সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। উন্নত দেশসমূহেও কোচিং সেন্টারের বিস্তৃতি রয়েছে। যেমন কোরিয়া, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশেও কোচিং পরিচালিত হয়। সেখানে স্কুল কলেজগুলো শিক্ষক, পাঠ্যপুস্তক, ল্যাবরেটরি দিয়ে অনেক সমৃদ্ধ। তারপরও সেখানে কোচিং একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেবে কাজ করছে। শুধু ব্যক্তি উদ্যোগে নয় এখানে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও রয়েছে। সেখানে আমাদের দেশে কোচিং সেন্টার নিয়ে কেন বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে? এসএসসি পরীক্ষার জন্য সারাদেশে কোচিং সেন্টারগুলো পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ধারনা করা হচ্ছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে এরা জড়িত। আসলেই কি তাই? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, বিগত সময়ে ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র বের করে শিক্ষকদের হাতে দেওয়া হতো। কিন্তু এবার ইনটেক প্যাকেটে প্রশ্নপত্র এসেছে। তা পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে প্যাকেট কেটে প্রশ্নপত্র বের করা হচ্ছে। তার আগে দায়িত্বরত শিক্ষকদের এনড্রয়েড মোবাইল সেটগুলো ক্লোজ করা হয়েছে। যে কারনে এবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে প্রতিবার শিক্ষকদের হাতে প্রশ্নপত্র দেওয়ার পর তা পরীক্ষা শুরুর ১০ মিনিট আগে এ্যান্ড্রয়েড সেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তো। এবার তা হয়নি। এ থেকে প্রমাণ হয় কোচিং সেন্টার নয় বরং কিছু দায়িত্বহীন শিক্ষক এই কাজটি করে থাকে।

পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দেশের আপামর জনসাধারণের উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটেছিল বিচার বিভাগীয় একাধিক কমিটি তৈরির মাধ্যমে। নানা তদন্ত কমিটির রিপোর্ট থেকে প্রতীয়মান হয় যে কোচিং সেন্টারগুলোকে যেভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয় ততটা সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয় নি। প্রকৃতপক্ষে পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকান্ডেই কিন্তু কোচিং সেন্টারের সংশ্লিষ্ট কাউকে দায়িত্ব প্রদান করার কথা না। প্রশ্ন প্রণয়ন করেন শিক্ষকেরা, মডারেশন করেন শিক্ষকেরা, টাইপ করা ছাপানো, কেন্দ্রে প্রেরণ এর কোনো কিছুতেই কোচিং সেন্টারের লোকজনের সংশ্লিষ্টতা নেই। কেন্দ্র পর্যন্ত পৌছানোর দায়িত্বও হয়তো দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের করার কথা। হয়তো প্রত্যন্ত অঞ্চলে পর্যাপ্ত দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অভাবে শিক্ষকেরা কেন্দ্রে পৌছানোর দায়িত্ব পালন করে থাকেন। মোটের ওপর কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌছানো পর্যান্ত কোচিং সেন্টারগুলোর কোনো ভূমিকা নেই। তারপর পরীক্ষার খাতা পরীক্ষকদের মধ্যে বিতরণ, নম্বর প্রদানসহ আরো যত কর্মকান্ড আছে তাতেও তাদের সম্পৃক্ততা নেই। তাহলে তাদের কেন বলির পাঠা বানানো হচ্ছে? আমরা যদি মনে করি কোচিং সেন্টারগুলো ছেলেমেয়েদের বুলি শেখাচ্ছে, কিছু বোঝাচ্ছে না তাহলে আমরা যথাযথ প্রশ্নপত্র করে, যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হচ্ছি কেন? আমার মধ্যে এরকম শংকা তৈরি হয়েছে যে ছাত্রদের যদি স্কুল কলেজের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা না হয় তাহলে তারা কোচিং সেন্টারেই যাবে। আমাদের যে পাঠ্যপুস্তক, প্রশ্নপত্রের ধরণ, স্কুল কলেজে পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব, শিক্ষকদের বেতন কাঠামো, সামাজিক মর্যাদা, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভর্তির চাপ এর সম্ভবত যৌক্তিক পরিণতিই হাজার হাজার কোটি টাকার কোচিং এবং নোট বইয়ের বিস্তার। শিক্ষাখাতে সরকারি বিনিয়োগ যদি ৫০ টাকা হয় বেসরকারি কিংবা ব্যক্তি বিনিয়োগ সম্ভবত তার থেকে কম নয়। এমনকি উন্নত দেশসমূহেও কিন্তু কোচিং সেন্টারের বিস্তার রয়েছে। কোরিয়া, জাপান, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশও কোচিং থেকে মুক্ত হতে পারে নি যাদের স্কুল কলেজগুলো শিক্ষক,পাঠ্যপুস্তক, ল্যাবরেটরি দিয়ে অনেক সমৃদ্ধ। আমরা কীভাবে ভাবতে পারি যে আমাদের দেশ কোচিং মুক্ত হবে? আমরা কী তার জন্য শিক্ষায় যোগ্য বরাদ্দ দিচ্ছি, আমাদের স্কুল কলেজের পাঠদান কী শিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জনের জন্য যথেষ্ট? একেতো পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব তদুপরি সেই বরাদ্দের অর্থ থেকে যদি কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়, ফটোকপি মেশিনের দোকানের উপর নজরদারি রাখতে হয় তাহলে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা হবে। শিক্ষা নিয়ে, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমাদের অনেক পরীক্ষণ হয়েছে, সম্ভবত মাত্রাতিরিক্ত পরীক্ষণ হয়েছে, পরীক্ষা পদ্ধতি বারবার পরিবর্তন করে পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়া হয়েছে। এতো পরীক্ষণের কোনও প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। আমরা অনেক গবেষণা করবো ২০ বছরে একবার পরিবর্তন করবো। প্রাথমিক, মাধ্যমিক শিক্ষায় আমাদের ছেলেমেয়েরা বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান কিংবা শিক্ষার অন্যান্য শাখায় ভিত্তি মজবুত করবো। শিক্ষা সারাজীবনের জন্য। আমাদের পদার্থ বিজ্ঞানের ছাত্ররা অত্যন্ত ব্যুৎপত্তির সঙ্গে ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে চাকুরি করতে পারে যদিও তাদের সিলেবাসে সম্ভবত ইন্সুরেন্স শব্দটির উল্ল্যেখ থাকে না, রসায়ন শাস্ত্রে পাশ করে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছেন। সুতরাং অহরহ সিলেবাস কিংবা পরীক্ষার ধরণ পরিবর্তন করে গোটা জাতিকে অস্বস্তিতে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই, সাময়িক সমাধানের বৃত্ত থেকেও আমরা বের হয়ে আসতে চাই। কোচিং সেন্টারের প্রতি গোটা সমাজের আগ্রহ থেকে বুঝতে হবে আমাদের স্কুল কলেজে পড়ালেখায় ঘাটতি রয়েছে, পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, যোগ্য শিক্ষকের অভাব রয়েছে। যতদিক এই সমস্যাগুলো যথেষ্ট ভালোভাবে মোকাবেলা করতে না পারছি ততদিন এর বিকল্প সমাধানের কথা ভাবতে হবে। যেমন খুব ভালো মানের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ণ করতে হলে, প্রয়োজনে চার/পাঁচ বছর সময় দিয়ে। ভালো শিক্ষকদের পাঠদান থেকে যাতে সারা দেশের ছাত্ররা উপকৃত হতে পারে তার জন্য শিক্ষা টিভি চ্যানেল ব্যবহার করা যেতে পারে এবং তাতে রীতিমত সময়সুচি করে নানা বিষয়ের নানা শ্রেণির পাঠদান করানো যেতে পারে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লটারি সিস্টেম প্রবর্তন করায় সরকারকে সাধুবাদ জানাই। তবে এই পদ্ধতিকে আরো কার্যকর করার জন্য কলেজে যেমন অনলাইনে ভর্তি হচ্ছে অনুরূপ পদ্ধতি আমরা প্রতিটি শহরের জন্য বিশেষ করে মহানগরগুলোর জন্য সমন্বিতভাবে করতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের যে ভোগান্তি, তাতে দেশ, জাতির যে ক্ষতি তার থেকেও জাতি মুক্তি আশা করে। জগদ্বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিনা ভর্তি পরীক্ষায় আমাদের ছাত্রদের ভর্তি করছে আর আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের ভর্তির জন্য তাদের কতো ভোগান্তি পোহাতে বাধ্য করছি। স্যাট স্কোরের মতো একটি ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত, অথবা একই রকম বিষয়ে ভর্তির জন্য মাত্র একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির ব্যবস্থা করা উচিত। আশা করি এসএসসি পরীক্ষা নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে, আমাদের পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা গত বছরের মতো কিংবা তার থেকে একটি ভালো পরীক্ষার প্রত্যাশায় থাকবেন, উদ্বেগের মধ্যে কাটাবেন না, পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র পাওয়ার আশায় নয় প্রস্তুতি নিয়েই পরীক্ষা দিবে । এদিকে হাই কোর্টের রায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এনেছে।

বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোনভাবেই কোচিং করাতে পারবেন না। এটি একটি যুগান্তকারী রায়। কারণ শিক্ষকরা কোচিং এ জড়ালে শ্রেণি কক্ষে পাঠদানে তারা অমনোযোগী থাকেন এবং কোচিং ভাল এবং বিস্তারিত পড়ানোর কথা বলে শিক্ষার্থীদের কোচিং এ টানেন। না গেলে তাদের নম্বর কর্তন করা হয় বলেও অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন। কিন্তু প্রকৃত মেধাবীরা যে সকল কোচিং পরিচালনা করে থাকেন, যারা শিক্ষাক্ষেত্রে উজ্জ্বল মেধার স্বাক্ষর বহন করেছেন তাদের কোচিং সেন্টার থেকে প্রকৃত মেধাবীরা বেরিয়ে আসছে। দেশে এমন হাজার হাজার মেধাবীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের উচিত নীতিমালা করে এই সকল মেধাবীদের কোচিং সেন্টারগুলোকে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা এবং তদারকি বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও প্রানবন্ত করা। যা সরকারের আরও একটি আর্থিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত সাফল্য বয়ে আনতে পারে কোচিং সেক্টর থেকে।

আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। এবং নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven − four =

এরকম আরোওঃ


2সোমবার রাতে উপজেলার রামৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সীমান্ত থেকে দুই বাংলাদেশীকে আটক করা হয়।

3সোমবার রাতে উপজেলার রামৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সীমান্ত থেকে দুই বাংলাদেশীকে আটক করা হয়। স্থানীয়রা জানায়, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের খালেক হালসানার ছেলে সেল্টু (


Calendar

মার্চ ২০১৯
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  







বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত যে কোন সংবাদ যথাযথ তথ্যসূত্র (রেফারেন্স) উল্লেখ পূর্বক যে কেউ ব্যবহার বা প্রকাশ করতে পারবেন।