শনিবার ২৩শে মার্চ, ২০১৯ ইং ৯ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ সকাল ৮:৩৫
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
Uncategorized
অন্য-ভূবণ
অন্যান্য অর্থ-বানিজ্য
অন্যান্য খেলাধুলা
অপরাধ
অপরাধ
অপরাধ
অর্থ বানিজ্য
অর্থ-বাজার
আইটি নিউজ
আইন-আদালত
আমদানি -রপ্তানি
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
আর্তমানবতা
ইংরেজী
ইংরেজী-খেলা
ইংরেজী-জাতীয়
ইংরেজী-বিনোদন
উদ্ভাবন ও গবেষনা
উদ্যোক্তার কথা
উন্নয়নের বাংলাদেশ
উৎসব ও অনুষ্ঠান
উৎসব ও অনুষ্ঠান
উৎসব ও অনুষ্ঠান
উৎসব ও অনুষ্ঠান
ঊন্নয়ন
কবিতা
কর্মসংস্থান
কৃষি বার্তা
ক্রিকেট
খুলনা
খেলাধুলা
গ্রামীন খেলাধুলা
ঘর-দোয়ার
চট্টগ্রাম
চিকিৎসা সেবা
চুয়াডাঙ্গা অফিস
জাতীয়
জাতীয় সংসদ
টিপস
টেনিস
ডোনেট সংবাদ
ঢাকা
তৃতীয়-চোখ
দিবস
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দুর্ঘটনা
দেশজুড়ে
ধর্ম ও জীবন
নতুনত্বের প্রচেষ্টা
নারী কথন
পড়াশুনা
পাঠক
পুরুষ কথন
প্রতিবন্ধি ও পথ শিশু
প্রধানমন্ত্রীর কর্ণার
প্রবাস
প্রযুক্তির খবর
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক থেকে সংগ্রহ
বই মেলা
বরিশাল
বাগেরহাট অফিস
বিনোদন
বিবিধ
বিলুপ্তির পথে
বিশ্ব
ব্যাংক ও বীমা
ভ্রমন
মতামত
ময়মনসিংহ
যশোর অফিস
রংপুর
রাজনীতি
রাজশাহী
রান্নাঘর
রোহিঙ্গা নিধন
র্নিবাচন
লাইফ স্টাইল
লিড নিউজ
শিক্ষক
শিক্ষা বাতায়ন
শিক্ষা সংবাদ
শিশু কিশোর
শেয়ার বাজার
শৈল্পিক সাহিত্য
শোকাহত
শোকাহত
শোকাহত
শোকাহত
শ্রদ্ধ ও সুখবর
শ্রদ্ধ ও সুখবর
শ্রদ্ধা ও সুখবর
সকল
সমসাময়িক
সম্পাদকীয়
সাজসজ্জা
সামাজিক মাধ্যম
সাহিত্য
সিলেট
হাসি-আনন্দ

বিজ্ঞপ্তি

  • হোম  
  • মতামত  
  • সমসাময়িক  
  • ★ গ্রামের অখ্যাত স্কুল বনাম শহুরে খ্যাতনামা স্কুল★মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন

★ গ্রামের অখ্যাত স্কুল বনাম শহুরে খ্যাতনামা স্কুল★মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন

প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:২১ অপরাহ্ণ  | নিউজটি পড়া হয়েছে : 82

retro মহিউদ্দিন ওসমানী (চট্টগ্রাম) অনলাইন নিউজ ডেস্ক  Print

* শুরু হবে নুতন বর্ষে গ্রামের ও শহুরে স্কুলগুলোর বৈষম্য দিয়ে প্রতিবারের মতো ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ। গ্রামের স্কুলগুলোর সমস্যা নিয়ে ভাববার তেমন কেউ না থাকলেও শহুরে সরকারী ও অনেকের মতে নামকরা স্কুলগুলোর চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। বছরের শুরু হয় কারও বঞ্চনা দিয়ে আবার কারও অর্থের জোয়ার দিয়ে।
এবার দেখি গ্রামের স্কুল ও শহুরে স্কুলের মধ্যে প্রাপ্তি ও সুযোগ সুবিধার বৈষম্যের চিত্র।
১। বছরের শুরুতেই গ্রামের স্কুলগুলো সর্বোচ্চ ভর্তি ফি নিতে পারবে ৫০০/-টাকা। কিন্তু শহুরে স্কুলগুলোর জন্য ৫০০০/- টাকা। ক্ষেত্রে বিশেষে আরো বেশি ( ৫-১০ লাখ) টাকা নেওয়ার অভিযোগ আছে।
২। গ্রামের স্কুলের শিক্ষার্থীদের গণহারে ভর্তি করাতে হয়। অপরপক্ষে শহুরে স্কুলগুলো বাছাই করে শিক্ষার্থী ভর্তি করায়।
৩। গ্রামের স্কুলের শিক্ষকরা পরিশ্রম করে ভাল শিক্ষার্থী গড়ে তোলে আর সেগুলো নামকরা স্কুলের বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে গ্রামের স্কুল ত্যাগ করে।
৪। গ্রামের স্কুলে যারা ভর্তি হতে ৫০০/-টাকা দিতে পারে না তাঁদের-ই আবার শহুরে স্কুলে ৫০০০/- টাকা দিতে কোন কষ্ট হয় না।
৫। গ্রামের স্কুল গুলোতে মাসিক ছাত্র বেতন ঠিক মতো আদায় হয় না। বছরের শেষে শুরু হয় বেতন মওকুফের পালা। অপরপক্ষে শহুরে স্কুলে বেতন বকেয়া থাকে না তাই মওকুফ করার প্রশ্নই উঠে না। শহুরে স্কুলগুলো প্রয়োজনে জরিমানা সহ আদায় করে ছাড়বে।
৬। গ্রামের স্কুল গুলোতে ভাল শিক্ষার্থীদের প্রায় বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেয়া হয় বিদ্যালয়ের ভাল ফলাফলের আশায়। দূর্বল শিক্ষার্থীরাই গ্রামের স্কুলের অার্থিক যোগান দাতা। এদের আবার এক বিরাট অংশকে বেতন মওকুফও করে দিতে হয়। অথচ শহুরে স্কুলগুলোতে এই সবের বালাই নেই।
৭। গ্রামের স্কুলগুলোতে অভিভাবকরা কোন কথাবার্তা ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু শহুরে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে অনুমতি নিয়েও প্রবেশ কঠিনসাধ্য।
৮। গ্রামের স্কুলে অভিভাবকরা আসেন প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষকদের বকা দিতে। আর শহুরে স্কুলগুলোতে অভিভাবকদের যেতে হয় বকা খেয়ে অপমানিত হতে।
৯। গ্রামের স্কুলগুলোতে অভিভাবকরা স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষকরা তাঁদের যথাযথ সম্মান করে বসতে দেন এবং তাঁদের অভিযোগ শুনেন। সুযোগ থাকলে আপ্যায়ন করাতে ভুলেন না। শহুরে স্কুলগুলোতে অভিভাবকদের ১ পয়সারও দাম নাই। বসতে দেয়া বা আপ্যায়ন তো পরের কথা।
১০। গ্রামের শিক্ষকরা এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলের জন্য রাতে শিক্ষার্থীদের বাড়ী বাড়ী পরিদর্শন করেন। নামমাত্র ফি’তে বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করেন। আর শহুরে স্কুলের শিক্ষকরা নিজেদের পরিচালনায় কোচিং সেন্টারে মোটা অংকের টাকায় পড়তে বাধ্য করেন।
১১। গ্রামের স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রায় সব পড়া স্কুলেই শিখেন। বাসায় আলাদা প্রাইভেট শিক্ষক নাই বললেই চলে। আর শহুরে স্কুলের শিক্ষার্থীরা বাসায় কমপক্ষে ২/৩ জন শিক্ষক রেখে স্কুলের পাঠ তৈরি করে। আবার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্ব-স্ব স্কুলের শিক্ষকরাই বাসার প্রাইভেট টিউটর।
১২। ফরমপূরণের সময় গ্রামের স্কুলগুলো নির্ধারিত ফি আদায় করতে হিমশিম খায়। অপরপক্ষে শহুরে স্কুলগুলো নির্ধারিত ফি এর চেয়েও বেশি অর্থ আদায় করে।
১৩। গ্রামের স্কুলগুলোতে ভর্তি বাণিজ্য নাই। অথচ শহুরে স্কুলগুলোতে ভর্তি বাণিজ্যের রমরমা ব্যবসা।
* আরো অনেক বৈসাদৃশ্যেরর উদাহরণ টানা যাবে। শুধুমাত্র একটা বিষয়ের মাধ্যমে যোগ্যতা ও কৃতিত্বের যাচাই হয়ে যাবে যদি শহুরে স্কুলগুলোতে গণহারে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে বাধ্য করা হয়। তখন বুঝা যেতো ঐ তথাকথিত নাম করা স্কুলগুলোর শিক্ষকদের কারিশমা। বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের পড়ানোর নামকরা স্কুলগুলোর মধ্যে সেরা স্কুল ” ভিকারুন নিসা স্কুল এন্ড কলেজ “।
লেখক
মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক
সমিতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।

আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। এবং নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × four =

এরকম আরোওঃ


2সোমবার রাতে উপজেলার রামৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সীমান্ত থেকে দুই বাংলাদেশীকে আটক করা হয়।

3সোমবার রাতে উপজেলার রামৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সীমান্ত থেকে দুই বাংলাদেশীকে আটক করা হয়। স্থানীয়রা জানায়, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের খালেক হালসানার ছেলে সেল্টু (


Calendar

মার্চ ২০১৯
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  







বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত যে কোন সংবাদ যথাযথ তথ্যসূত্র (রেফারেন্স) উল্লেখ পূর্বক যে কেউ ব্যবহার বা প্রকাশ করতে পারবেন।